
রাজশাহীর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মোহনপুর জোনাল অফিসে বিল সংক্রান্ত প্রকাশিত সংবাদকে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে এর আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মোহনপুর জোনাল অফিস। একই সাথে কারিগরি ত্রুটির কারণে অকেজো হওয়া মিটার দ্রুত পরিবর্তন করে দিয়ে গ্রাহক সেবায় তৎপরতার পরিচয় দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানানো হয়, সম্প্রতি একটি সংবাদে উল্লিখিত গ্রাহক মোঃ আঃ রহমান (বই নম্বর: ১৮২, হিসাব নম্বর: ১৮৩০)-এর “ভূতুড়ে বিল”-এর দাবিটি সঠিক নয়। মূলত সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত টানা ৪ মাসের বকেয়া এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব সঠিকভাবে সমন্বয় করেই ১,১৪৬ টাকার বিল প্রস্তুত করা হয়েছিল। এতে কোনো কাল্পনিক বা অসঙ্গতিপূর্ণ বিল করা হয়নি।
তবে ডিজিটাল ডেটা এন্ট্রির সাময়িক অসতর্কতা বা কারিগরি ত্রুটির কারণে কিছু বিলে সাময়িক গরমিল দেখা দিলে তা জানার পরপরই সংশোধনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অন্যদিকে, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে প্রবল বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে উক্ত গ্রাহকের মিটারের ডিসপ্লে সাদা হয়ে অকেজো হয়ে পড়ে। সংবাদ প্রকাশের পর আজ (৯ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ অফিসের প্রতিনিধি দল সরজমিনে পরিদর্শনে যান এবং নষ্ট মিটারটি পরিবর্তন করে তাৎক্ষণিকভাবে নতুন মিটার স্থাপন করে দেন।
এ বিষয়ে মোহনপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কারিগরি সমস্যা বা ডেটা এন্ট্রির অসতর্কতায় বিলে সাময়িক অসঙ্গতি দেখা দিলে বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি জোনাল অফিসে যোগাযোগের অনুরোধ করা হচ্ছে। প্রকৃত রিডিং যাচাই সাপেক্ষে দ্রুত বিল সংশোধন করা হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগের এমন দ্রুত পদক্ষেপ ও সরেজমিন সমাধানের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় গ্রাহকরা। ভবিষ্যতে এ ধরনের সাময়িক ভোগান্তি এড়াতে ডেটা এন্ট্রি ব্যবস্থা আরও সতর্কতার সাথে পরিচালনার আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ডেক্স নিউজ 










