Dhaka ০২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় নোমানী ময়দানে অবৈধ খাবারের দোকান উচ্ছেদের দাবি রেস্তোরা মালিক সমিতির

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৪৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩২০ Time View

মাগুরায় নোমানী ময়দানে অবৈধ খাবারের দোকান উচ্ছেদের দাবি রেস্তোরা মালিক সমিতির

মাগুরা শহরের নোমানী ময়দান ও এর আশেপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ খাবারের দোকানপাট উচ্ছেদের দাবি জানিয়ে মাগুরা জেলা রেস্তোরা মালিক সমিতি জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে।

 

৩রা সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

 

রেস্তোরা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়সাল আহম্মেদ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, শহরের হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও মিষ্টির দোকানগুলো সরকার নির্ধারিত সব ধরনের লাইসেন্স গ্রহণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রেড লাইসেন্স, ডিসি অফিসের ডিলিং লাইসেন্স, বিএসটিআই, কৃষি বিপণন, ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন। এছাড়া তারা নিয়মিত ভ্যাট ও আয়করও পরিশোধ করছে।

 

অভিযোগ, নোমানী ময়দানে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের গেট থেকে মাঠের মাঝ বরাবর প্রায় ৫০টির বেশি অবৈধ দোকান গড়ে উঠেছে। এসব দোকান কোনো লাইসেন্স ছাড়াই চালু রয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না এবং সরকারি কোনো রাজস্বও জমা দেওয়া হচ্ছে না।

 

মো. ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, “এগুলো খোলা আকাশের নিচে খাবার তৈরি ও পরিবেশন করছে। এতে ভোক্তারা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন এবং নিয়ম মেনে ব্যবসা করা রেস্তোরা মালিকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এমনকি শিশুদের একমাত্র খেলার মাঠ নোমানী ময়দানও দখল হয়ে যাচ্ছে।”

 

রেস্তোরা মালিক সমিতির সভাপতি উল্লেখ করেন, “আমরা নিয়ম মেনে ব্যবসা করি, সরকারের কাছে ট্যাক্স দিচ্ছি, অথচ রাতারাতি অবৈধ দোকানগুলো আমাদের ক্ষতি করছে। সরকারেরও বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে।”

 

এ বিষয়ে মাগুরা পৌরসভার প্রকৌশলী মনির বলেন, “উচ্ছেদে একাধিকবার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে, কিন্তু দোকানগুলো আবার বসে যায়। আমরা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।”

 

মাগুরা জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, “রেস্তোরা মালিক সমিতির স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। শিগগিরই অবৈধ দোকান উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

উল্লেখ্য, স্মারকলিপির অনুলিপি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি (ঢাকা), পুলিশ সুপার মাগুরা, পৌরসভা ও ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

 

 

Tag :
About Author Information

admin

রাজশাহীর পবায় অনুমতি ছাড়াই সরকারি গাছের ডাল কাটার অভিযোগ, স্থানীয়দের ক্ষোভ

মাগুরায় নোমানী ময়দানে অবৈধ খাবারের দোকান উচ্ছেদের দাবি রেস্তোরা মালিক সমিতির

Update Time : ০৪:৪৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মাগুরায় নোমানী ময়দানে অবৈধ খাবারের দোকান উচ্ছেদের দাবি রেস্তোরা মালিক সমিতির

মাগুরা শহরের নোমানী ময়দান ও এর আশেপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ খাবারের দোকানপাট উচ্ছেদের দাবি জানিয়ে মাগুরা জেলা রেস্তোরা মালিক সমিতি জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে।

 

৩রা সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

 

রেস্তোরা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়সাল আহম্মেদ স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, শহরের হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও মিষ্টির দোকানগুলো সরকার নির্ধারিত সব ধরনের লাইসেন্স গ্রহণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রেড লাইসেন্স, ডিসি অফিসের ডিলিং লাইসেন্স, বিএসটিআই, কৃষি বিপণন, ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন। এছাড়া তারা নিয়মিত ভ্যাট ও আয়করও পরিশোধ করছে।

 

অভিযোগ, নোমানী ময়দানে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের গেট থেকে মাঠের মাঝ বরাবর প্রায় ৫০টির বেশি অবৈধ দোকান গড়ে উঠেছে। এসব দোকান কোনো লাইসেন্স ছাড়াই চালু রয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না এবং সরকারি কোনো রাজস্বও জমা দেওয়া হচ্ছে না।

 

মো. ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, “এগুলো খোলা আকাশের নিচে খাবার তৈরি ও পরিবেশন করছে। এতে ভোক্তারা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন এবং নিয়ম মেনে ব্যবসা করা রেস্তোরা মালিকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এমনকি শিশুদের একমাত্র খেলার মাঠ নোমানী ময়দানও দখল হয়ে যাচ্ছে।”

 

রেস্তোরা মালিক সমিতির সভাপতি উল্লেখ করেন, “আমরা নিয়ম মেনে ব্যবসা করি, সরকারের কাছে ট্যাক্স দিচ্ছি, অথচ রাতারাতি অবৈধ দোকানগুলো আমাদের ক্ষতি করছে। সরকারেরও বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে।”

 

এ বিষয়ে মাগুরা পৌরসভার প্রকৌশলী মনির বলেন, “উচ্ছেদে একাধিকবার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে, কিন্তু দোকানগুলো আবার বসে যায়। আমরা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।”

 

মাগুরা জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, “রেস্তোরা মালিক সমিতির স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। শিগগিরই অবৈধ দোকান উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

উল্লেখ্য, স্মারকলিপির অনুলিপি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি (ঢাকা), পুলিশ সুপার মাগুরা, পৌরসভা ও ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।