Dhaka ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শখের বসে সৌদির খেজুর চাষ, ১ বছরের মাথায় ফলন

শখের বসে নিজের ১৫ কাঠা জমিতে সৌদি আরবের আজোয়া ও মরিয়ম জাতের খেজুর গাছ রোপণ করেছেন সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার নগরঘাটা মিঠাবাড়ি গ্রামের কামরুল হাসান মিলন (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য হায়দার আলীর ছেলে। তিনি বল্লী আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি)। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি নিজ জমিতে কৃষি কাজ করেন।

ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে তিনি সৌদির খেজুর চাষে উদ্বুদ্ধ হন। এরপর ঢাকা গাজীপুরে যোগাযোগ করেন খেজুরের চারা ক্রয়ের জন্য কিন্তু প্রতি পিস চারা ১০ থেকে ১৫ হাজার মূল্য চাওয়ায় তিনি হতাশ হন। পরবর্তিতে তার বাবা হজ্জের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গেলে তিনি চাষের জন্য বীজ ক্রয় করে আনান।

বাংলাদেশী ২৫ টাকা মূল্যে তিনি প্রতি পিচ বীজ ক্রয় করে ১’শ ৫০টা বীজ রোপন করেন। আজ তার জমিতে দেড়শটি খেজুরের চারা দিনে দিনে বেড়ে উঠছে। তিন থেকে পাচ বছরের মাথায় ফল ধরার নিয়ম থাকলেও তার তার খেজুর গাছে এক বছরের মাথায় ফল ধরা শুরু হয়েছে। খেজুর চাষের পাশাপাশি তিনি একই জমিতে স্বল্পহারে করেছেন ড্রাগন চাষ।

এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই জাতের খেজুর গাছের শতকরা ৮০টি গাছ পুরুষ জাতের হয়ে থাকে। পুরুষ ফুলের পরাগ মেয়ে গাছের ফুলে পরাগায়ন করলে ফলের ধরণ অনেক ভাল হয় বলে তিনি মনে করেন।

তবে এই খেজুর গাছ চাষের পদ্ধতি ও পরিচর্যা সম্পর্কে জানতে নিজ জেলা ও জেলার বাইরে সরকারি কৃষি দপ্তরে যোগাযোগ করে তিনি কোন সুফল পাননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সরকারিভাবে এই সৌদি খেজুর চাষের উপর কৃষকদের ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

Tag :
About Author Information

admin

জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন রাসিকের ১২৩৭জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী, বিতরণ করলেন রাসিক প্রশাসক

error: Content is protected !!

শখের বসে সৌদির খেজুর চাষ, ১ বছরের মাথায় ফলন

Update Time : ০৬:০৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মে ২০২১

শখের বসে নিজের ১৫ কাঠা জমিতে সৌদি আরবের আজোয়া ও মরিয়ম জাতের খেজুর গাছ রোপণ করেছেন সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার নগরঘাটা মিঠাবাড়ি গ্রামের কামরুল হাসান মিলন (৪৫)। তিনি ওই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য হায়দার আলীর ছেলে। তিনি বল্লী আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি)। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি নিজ জমিতে কৃষি কাজ করেন।

ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে তিনি সৌদির খেজুর চাষে উদ্বুদ্ধ হন। এরপর ঢাকা গাজীপুরে যোগাযোগ করেন খেজুরের চারা ক্রয়ের জন্য কিন্তু প্রতি পিস চারা ১০ থেকে ১৫ হাজার মূল্য চাওয়ায় তিনি হতাশ হন। পরবর্তিতে তার বাবা হজ্জের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গেলে তিনি চাষের জন্য বীজ ক্রয় করে আনান।

বাংলাদেশী ২৫ টাকা মূল্যে তিনি প্রতি পিচ বীজ ক্রয় করে ১’শ ৫০টা বীজ রোপন করেন। আজ তার জমিতে দেড়শটি খেজুরের চারা দিনে দিনে বেড়ে উঠছে। তিন থেকে পাচ বছরের মাথায় ফল ধরার নিয়ম থাকলেও তার তার খেজুর গাছে এক বছরের মাথায় ফল ধরা শুরু হয়েছে। খেজুর চাষের পাশাপাশি তিনি একই জমিতে স্বল্পহারে করেছেন ড্রাগন চাষ।

এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই জাতের খেজুর গাছের শতকরা ৮০টি গাছ পুরুষ জাতের হয়ে থাকে। পুরুষ ফুলের পরাগ মেয়ে গাছের ফুলে পরাগায়ন করলে ফলের ধরণ অনেক ভাল হয় বলে তিনি মনে করেন।

তবে এই খেজুর গাছ চাষের পদ্ধতি ও পরিচর্যা সম্পর্কে জানতে নিজ জেলা ও জেলার বাইরে সরকারি কৃষি দপ্তরে যোগাযোগ করে তিনি কোন সুফল পাননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সরকারিভাবে এই সৌদি খেজুর চাষের উপর কৃষকদের ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।