
হঠাৎ করেই আকাশের দিকে চোখ পড়তেই মনটা আনন্দে নেচে উঠল। মেঘের চাদর ভেদ করে উঁকি দেওয়া রোদ আর বৃষ্টির স্নিগ্ধতার মিতালীতে আজ বাংলার আকাশে দেখা মিলল এক টুকরো রংধনুর। অনেকদিন পর এমন একটি দৃশ্য চাক্ষুষ করার অনুভূতি সত্যিই অন্যরকম—যেন যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা থামিয়ে প্রকৃতি নিজেই ডেকে পাঠিয়েছে একটু থমকে দাঁড়াতে।
বিজ্ঞানের ভাষায়, বৃষ্টির ক্ষুদ্র কণার মধ্য দিয়ে সূর্যের আলোর প্রতিসরণ এবং প্রতিফলনের ফলে এই সাত রঙের বর্ণালী তৈরি হয়। কিন্তু এই রঙের খেলায় কেবল পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র নেই, এর সাথে জড়িয়ে আছে মানুষের আবেগ, মনস্তত্ত্ব আর গভীর আশাবাদের এক অদ্ভুত সংযোগ। ঠিক যেমনটি আপনি বলেছেন—
“বৃষ্টির শেষে রংধনু যেন প্রকৃতির পক্ষ থেকে নতুন আশার বার্তা।”
আমাদের জীবনেও তো মেঘের দিন আসে। হতাশা, ক্লান্তি বা দুঃখের বৃষ্টি যখন চারপাশ ঢেকে দেয়, তখন মনে হয় বুঝি অন্ধকারের আর শেষ নেই। কিন্তু ঠিক তখনই প্রকৃতির এই অপূর্ব সৃষ্টি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মেঘ কেটে যাওয়ার পরেই আসে আলোর ঝলকানি। রংধনু আমাদের শেখায়—কত বড় ঝড়ের পরেই না প্রকৃতি নিজেকে আবার নতুন সাজে সাজিয়ে তোলে। জীবনও ঠিক তেমনি, প্রতিটি কঠিন সময়ের পর নতুন সম্ভাবনার এক রঙিন আকাশ অপেক্ষা করে থাকে।
অনেকদিন পর দেখা এই রংধনু যেন কেবল আকাশকেই রাঙায়নি, বরং এক ফালি স্বস্তি ও নতুন প্রেরণা দিয়ে মনটাকেও ছুঁয়ে গেছে।
আপনার কি মনে পড়ে, শেষ কবে আপনার চোখে পড়েছিল এমন কোনো রূপসী রংধনু এবং সেই মুহূর্তে আপনার মনে কীসের ভাবনা এসেছিল?
ডেস্ক নিউজ 






















