Dhaka ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে সম্পন্ন হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮০ Time View
রাজশাহীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ২৯ জন প্রার্থী নিজ নিজ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচন আচরণবিধি মেনে আগামীকাল থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
বুধবার সাড়ে সকাল ১০টা থেকে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। এতে সকল প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ দেন। এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কার্যক্রমের শুরুতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রার্থীদের নির্বাচন আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানো, সভা-সমাবেশ ও মিছিল সংক্রান্ত বিধিনিষেধসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
প্রতীক বরাদ্দে রাজশাহীর ছয়টি আসনে ২৬ জন দলীয় প্রার্থী তাদের নিজ নিজ দলীয় প্রতীক পান। পাশাপাশি দুটি আসনের তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাদের পছন্দের প্রতীক বরাদ্দ লাভ করেন। এর মধ্যে রাজশাহী-২ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র তরুণ প্রার্থী সালেহ আহমেদ মোটরসাইকেল প্রতীক পান। রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফা খায়রুল হক ঘোড়া প্রতীক এবং যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের বর্তমান সহ-সভাপতি ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রেজাউল করিম ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ পান।
এদিকে প্রতীক বরাদ্দ চলাকালে রাজশাহী-৪ (বাগমারা), রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জেলা এনসিপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম সাজু এ প্রতিবাদ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন।
প্রতিবাদ শেষে তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় তিনি জাতীয় পার্টিকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ রুখে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
Tag :
About Author Information

Alauddin Mondal

জনপ্রিয়

ধূরইল আহলে হাদিস হাফিজিয়া ক্বওমী মাদ্রাসার অভাবনীয় সাফল্য: সোনামণি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ৪ শিক্ষার্থীর বাজিমাত

রাজশাহীতে সম্পন্ন হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ

Update Time : ০৩:৫৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
রাজশাহীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ২৯ জন প্রার্থী নিজ নিজ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচন আচরণবিধি মেনে আগামীকাল থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
বুধবার সাড়ে সকাল ১০টা থেকে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। এতে সকল প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ দেন। এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং অফিসার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
কার্যক্রমের শুরুতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রার্থীদের নির্বাচন আচরণবিধি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানো, সভা-সমাবেশ ও মিছিল সংক্রান্ত বিধিনিষেধসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
প্রতীক বরাদ্দে রাজশাহীর ছয়টি আসনে ২৬ জন দলীয় প্রার্থী তাদের নিজ নিজ দলীয় প্রতীক পান। পাশাপাশি দুটি আসনের তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাদের পছন্দের প্রতীক বরাদ্দ লাভ করেন। এর মধ্যে রাজশাহী-২ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র তরুণ প্রার্থী সালেহ আহমেদ মোটরসাইকেল প্রতীক পান। রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিএনপি বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসফা খায়রুল হক ঘোড়া প্রতীক এবং যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের বর্তমান সহ-সভাপতি ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রেজাউল করিম ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ পান।
এদিকে প্রতীক বরাদ্দ চলাকালে রাজশাহী-৪ (বাগমারা), রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জেলা এনসিপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদুল ইসলাম সাজু এ প্রতিবাদ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন।
প্রতিবাদ শেষে তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় তিনি জাতীয় পার্টিকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ রুখে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।